ঢাকাসোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. ইতিহাস
  2. উলিপুর উপজেলা
  3. এসবি পডকাস্ট (বিভাগ ভিত্তিক)
  4. কুড়িগ্রাম
  5. কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা
  6. খুলনা বিভাগ
  7. চট্টগ্রাম বিভাগ
  8. চাকরি
  9. চিলমারী উপজেলা
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. নাগেশ্বরী উপজেলা
  13. নারী
  14. প্রযুক্তি
  15. ফুলবাড়ী উপজেলা
আজকের সর্বশেষ খবর

দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ঢাকার এডিসি (এলএ)-এর প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মো. শামীম হুসাইন। এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেছেন, সরকারি নথি ও দালিলিক প্রমাণ যাচাই না করেই চরিত্র হননের উদ্দেশ্যে এসব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপিতে তিনি এই দাবি করেন।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, গত ৮ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ‘দৈনিক ইনকিলাব’-এর অনলাইন সংস্করণে এবং ৯ সেপ্টেম্বর ‘আপন দেশ’ পোর্টালে ঢাকার এল.এ শাখা, দুদক মামলা এবং কক্সবাজারের বিভিন্ন প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ বিষয়ে তাঁকে জড়িয়ে কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে আনা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ কয়েকটি প্রকল্পের এল.এ কেসের ক্ষতিপূরণ প্রদানে অনিয়মের অভিযোগের জবাবে শামীম হুসাইন জানান, তিনি চলতি বছরের (২০২৬) ১৭ জুন ঢাকার এডিসি (এল.এ) হিসেবে যোগদান করেন। অথচ সংবাদে যেসব চেক ও অ্যাডভাইস ইস্যুর কথা বলা হয়েছে, তা ১৮ মে ২০২৫ থেকে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের মধ্যে ইস্যু করা। অর্থাৎ, তাঁর যোগদানের আগেই পূর্বতন কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরে ওই অর্থ ছাড় করা হয়েছিল। বিনা যাচাইয়ে পূর্বসূরিদের কাজের দায়ভার তাঁর ওপর চাপানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রসঙ্গে প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রকল্পটির ফেজ-৩-এর জমি ও স্থাপনার দখল হস্তান্তর ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ফেজ-৪-এর ক্ষেত্রে সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও প্রত্যাশী সংস্থার যৌথ তদন্তের খসড়া যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে। বিষয়টি এখনও খসড়া পর্যায়ে থাকা সত্ত্বেও সেখানে ৫০ কোটি টাকা লেনদেনের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা নিতান্তই কাল্পনিক।

কক্সবাজার পানি শোধনাগার প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে এই কর্মকর্তা জানান, ওই জমির স্থান ও মূল্য (প্রায় ৩৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা) ২০১৭ সালেই মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত। অথচ তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন করেন ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত। ২০১৭ সালে চূড়ান্ত হওয়া বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অবান্তর। এছাড়া, তৎকালীন মেয়রের পরিবারকে পুরো ৩৬ কোটি টাকা দেওয়ার তথ্যটিও মিথ্যা উল্লেখ করে তিনি জানান, বৈধ ওয়ারিশ হিসেবে মেয়রের পরিবার পেয়েছে প্রায় ৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বাকি প্রায় ২৯ কোটি টাকা অন্যান্য প্রকৃত মালিকদের দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, কক্সবাজার পিবিআই কার্যালয় নির্মাণে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের কাজটিও তাঁর যোগদানের অনেক আগে সম্পন্ন হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। পরে উপপরিচালকের (স্থানীয় সরকার) নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির যাচাই-বাছাই ও সুপারিশের ভিত্তিতেই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, এল.এ কর্মকর্তার একক সিদ্ধান্তে নয়।

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে জড়িয়ে প্রকাশিত তথ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে শামীম হুসাইন বলেন, সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী তিনি কখনোই ওই প্রকল্পের দায়িত্বে ছিলেন না। এছাড়া তাঁকে ‘দুদকের এজাহারভুক্ত আসামি’ হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টিকে পুরোপুরি মনগড়া দাবি করে তিনি জানান, বাস্তবে তাঁর বিরুদ্ধে দুদকে কোনো মামলা নেই বা তাঁকে কখনোই কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি।

পরিশেষে প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, কোনো ধরনের দালিলিক প্রমাণ ও সরকারি নথি যাচাই না করে এ ধরনের সংবাদ পরিবেশন বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থী এবং ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর শামিল। জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি প্রকৃত সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানান।

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।