এ ঘটনায় তার সঙ্গে জড়িত হিসেবে জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা সভাপতি ফারুক রহমানের নাম উল্লেখ করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকার।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকার।
এর আগে গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে দায়ের করা জিডিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে মামুন ব্যাপারীর নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন লোক উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে প্রবেশ করে হামলার চেষ্টা চালায় এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে তিনি অফিস কক্ষ থেকে বাইরে বের হলে ফারুক রহমান তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং পুনরায় প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। ঘটনার পর নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে উপজেলা প্রকৌশলী থানায় জিডি করেন বলে জানান। অভিযুক্ত মামুন ব্যাপারি উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিলেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মামুন ব্যাপারী বলেন, ফারুক রহমান এলজিইডি অফিসে এলসি সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৬ এপ্রিল তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলে বিষয়টি জানতে তিনি অফিসে যান। এ সময় কথোপকথনের একপর্যায়ে কিছু উত্তেজিত যুবক অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিলেও তা আর সম্পন্ন হয়নি বলেও জানান তিনি।
উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকার বলেন, দায়িত্বে অবহেলা ও অশালীন আচরণের কারণে ফারুক রহমানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি আতঙ্কের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন এবং যেকোনো সময় হামলার আশঙ্কা করছেন বলে জানান। তারই কারণে থানায় জিডি করেছেন তিনি।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জিডি দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে।
ছবিঃ উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকারের।