ঢাকাসোমবার , ২৩ মার্চ ২০২৬
  1. ইতিহাস
  2. উলিপুর উপজেলা
  3. এসবি পডকাস্ট (বিভাগ ভিত্তিক)
  4. কুড়িগ্রাম
  5. কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা
  6. খুলনা বিভাগ
  7. চট্টগ্রাম বিভাগ
  8. চাকরি
  9. চিলমারী উপজেলা
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. নাগেশ্বরী উপজেলা
  13. নারী
  14. প্রযুক্তি
  15. ফুলবাড়ী উপজেলা
আজকের সর্বশেষ খবর

কুড়িগ্রামে জ্বালানি সংকট প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে ফিলিং স্টেশনগুলো

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
মার্চ ২৩, ২০২৬ ৭:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুড়িগ্রামে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষজন। জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে সরবরাহকৃত জ্বালানি দিয়ে মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে ফিলিং স্টেশনসহ বিক্রয় পয়েন্টগুলো।
জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে জানা গেছে, জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়মিত সরবরাহের কারণে জেলার ২০টি ফিলিং স্টেশনের বেশিরভাগে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, কুড়িগ্রামে কয়েকটি জ্বালানি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ওয়েল কোম্পানিগুলো চাহিদা অনুযায়ী ডিলারদের তেল সরবরাহ করতে না পারছে না। ফিলিং স্টেশনে ডিজেল পাওয়া গেলেও পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছেনা । জেলার ২০টি পেট্রোল পাম্পে দৈনিক ৪ লক্ষ লিটারের বিপরীতে সরবরাহ ৫০ হাজার লিটারের কাছাকাছি সরবরাহ করছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।
অন্যদিকে ঈদের ছুটিতে সরবরাহ সাময়িক বন্ধ থাকার কারণে সংকটের মাত্রা বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
কুড়িগ্রাম খলিলগঞ্জের এসএস ফিলিং স্টেশনের পরিচালক জামান কাজল বলেন, জেলার ২০টি ফিলিং স্টেশনের দৈনিক চাহিদার চারভাগের একভাগও পূরণ হচ্ছে না। এ কারণে জ্বালানি সংকট দূর হচ্ছে না। প্রতিদিনই ক্রেতাদের সাথে পাম্পগুলোতে ঝামেলা তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোসহ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।
জ্বালানি তেলের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে সকাল থেকে মোটর সাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় পরিমাণ জ্বালানি পাচ্ছেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল  দেয়া হচ্ছে না, তাও সব স্টেশনে পাওয়া যাচ্ছে না।
মোটর সাইকেল চালক সাইফুল ইসলাম, রাশেদুল, আকবর আলীসহ অনেকেই বলেন, চলমান সংকটে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ঘুরে ঘুরে ৪/৫ ঘন্টা অপেক্ষা করে দুই থেকে তিনশো টাকার পেট্রোল পাওয়া যায়। সেটাও প্রতিদিন নয়। এতো সময় ধরে পেট্রোল জোগাড় করতে আমাদের বিভিন্ন কাজ ব্যহত হচ্ছে।
কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সীমিত পরিসরে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রি চালু রাখলেও অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যানবাহন ব্যবসায়ীরা। আবার সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় যাত্রীসেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ জানান, তিনিসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন নিয়মিত পরিদর্শন করছেন। সার্বিকভাবে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে সকল বিক্রয়কেন্দ্র। জ্বালানি সংকট দূর করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার সহযোগিতা চাই।

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।