প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ২১, ২০২৬, ৪:০৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ২০, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামে দেড়যুগের বেশি সময়ে ম্যারেজ মিডিয়া পেশার মাধ্যমে জীবীকা নির্বাহ করছেন ইমরান ওরফে মোনা চৌধুরী

কুড়ি
কুড়িগ্রামের ইমরান ওরফে মোনা চৌধুরীর পেশা ঘটকালি। দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে উচ্চ শিক্ষিত এই মোনা ম্যারেজ মিডিয়া বন্ধেনর মাধ্যমে ৪ হাজার ৩ শত ছেলে মেয়েকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করছেন।তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হওয়ার নিজে বিবাহ করতে না পারলেও কয়েক হাজার ছেলে মেয়েকে বিবাহ আবদ্ধ করতে পেরে সে এই পেশার মাধ্যমে বেশ খুশি।
কুড়িগ্রাম জেলা সদরের বেলগাছা ইউনিয়নের কালেগ্রামের ইমরান ইসলাম আকাশ ওরফে মোনা চৌধুরী ছোট বেলা থেকেই মেধাবী।
লেখাপড়ার দিকে মনোনিবেশনছিল প্রকট, সে ১৯৯৫ সালে খলিলগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পরীক্ষায় কৃতিত্বের উওীর্ণ হোন।
পরবর্তী মাধ্যমিক জীবনে২০০৪ সালে খলিলগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি, ২০০৬ সালে কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম ভোকেশনাল স্কুল এন্ড কলেজ এইচএসসি এবং অর্নাস ও স্নাতক ডিগ্রি ঢাকা তিতুমীর কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে উওীর্ণ হোন। পরে রংপুর আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।
কর্মজীবনে এসে এই ইমরান ভারতের আসাম রাজ্যের বন্ধুর বিয়েতে গেলে ওখান থেকে উনি বিবাহ বন্ধন মিডিয়া হিসেবে কাজ আগ্রহ পান।
জীবনের প্রথম বিবাহের ঘটক হিসেবে আসাম রাজ্যের ভগবানপুরে কালীমন্দিরের প্রশান্ত দওের সাথে কেয়া দওের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করতে সক্ষম হোন।
বর্তমান সে মানুষের বিবাহ বন্ধনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। এপর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৩ শত ছেলে মেয়ের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করতে সক্ষম হোন।
এই দেখা শেষ দেখা ম্যারেজ মিডিয়া হিসেবে তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।
এতে করে তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁকে এই পেশায় উৎসাহ প্রদান করছেন।
তাঁর সাথে কথা হলে তিনি জানান মানুষের জন্য আমি কাজর করছি এতে আমার অনেক ভালো লাগে। এমনকি যে সব ছেলে মেয়েদের বিবাহ দিচ্ছি তাঁদের দোয়া ও আশীর্বাদ আমাকে অনুপ্রাণিত করে।আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন এই পেশাকে আঁকড়ে ধরে সামনে এগিয়ে যাব।
এবিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মশিউর রহমান মন্ডল জানান মানুষের বিবাহ বন্ধনে ইমরান ইসলাম আকাশ ওরফে মোনা চৌধুরী সমাজে বেকারত্ব না থেকে নিজেকে কর্মেব মধ্যে জীবন জীবীকা নির্বাহ করছেন যা অনেক সম্মানের।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫