ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে ‘৩০ কোটি টাকার লেনদেন’ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নাম জড়িয়ে বিভিন্ন পোস্ট প্রচার করা হলেও সংশ্লিষ্টরা একে ভিত্তিহীন, গুজবনির্ভর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভাইরাল হওয়া এসব পোস্টে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ, নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র বা যাচাইকৃত উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়নি। বিষয়টিকে একটি মানহানিকর প্রচারণা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা মাত্র।
আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫, ২৯ ও ৩১ অনুযায়ী মিথ্যা তথ্য প্রচার, মানহানি এবং গুজব ছড়িয়ে জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টি দণ্ডনীয়। এছাড়া দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ ও ৫০০ অনুযায়ী মানহানির অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহল দাবি করে, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার বলেও তারা উল্লেখ করেন।
এদিকে, এ ধরনের উস্কানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ—সাইবার ক্রাইম ইউনিট, পুলিশ ও বিটিআরসি’র প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার না করার জন্য সচেতন থাকার অনুরোধ ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে প্রতিবাদ জানানো হয়।