জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী আজ সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। মিজানুর রহমান চৌধুরী’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
আজ এক শোকবার্তায় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯৮১ সালের ৩০ মে স্বাধীনতার ঘোষক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সফর সঙ্গী হিসেবে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অবস্থান করেন। ঐদিন রাতে শহীদ জিয়া দুস্কৃতিকারিদের কর্তৃক আক্রান্ত হন এবং জিয়াকে হত্যা করা হয়। তখন মিজান চৌধুরী সার্কিট হাউস থেকে কোনরকমে বের হয়ে নিজের প্রাণ বাঁচান। স্বজাতির এক বিয়োগান্তক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছেন শ্রমিকদল নেতা মিজান চৌধুরী।
শ্রমিক নেতা মিজান চৌধুরী ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষার একজন আপোষহীন সৈনিক। তিনি কখনোই অনৈতিক পন্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলেননি। চারিত্রিক দৃঢ়তা ছিল তাঁর ব্যক্তিজীবনের অনুষঙ্গ। উচিত কথা সর্বসমক্ষে উচ্চারণ করতে তিনি ভীত হতেন না।
শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন মরহুম মিজান চৌধুরীকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। সেকারণে বহুদলীয় রাজনীতি, বহুপথ ও মতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি ছিল তাঁর গভীর আস্থা। বর্তমান সময়ে তাঁর মতো একজন দৃঢ়চেতা মানুষের বড়ই প্রয়োজন ছিল।
আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।”
বার্তা প্রেরক
(মুহম্মদ মুনির হোসেন)
সহ-দফতর সম্পাদক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি