ঢাকারবিবার , ৩ মে ২০২৬
  1. ইতিহাস
  2. উলিপুর উপজেলা
  3. এসবি পডকাস্ট (বিভাগ ভিত্তিক)
  4. কুড়িগ্রাম
  5. কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা
  6. খুলনা বিভাগ
  7. চট্টগ্রাম বিভাগ
  8. চাকরি
  9. চিলমারী উপজেলা
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. নাগেশ্বরী উপজেলা
  13. নারী
  14. প্রযুক্তি
  15. ফুলবাড়ী উপজেলা
আজকের সর্বশেষ খবর

কুড়িগ্রামে মাদরাসা প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, ১৪ সদস্যের কমিটির ১১ জনের পদত্যাগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
মে ৩, ২০২৬ ৯:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার একটি ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ম্যানেজিং কমিটির ১৪ সদস্যের মধ্যে শিক্ষক প্রতিনিধিসহ ১১ জন একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

রোববার (৩ মে) বিকেলে মাদরাসার অফিস কক্ষে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন তারা। এ সময় শিক্ষক ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল মোঃ লিয়াকত আলী, যিনি উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কামাল খামার ফাজিল মাদরাসায় কর্মরত।

ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল মান্নান অভিযোগ করে বলেন, প্রিন্সিপাল লিয়াকত আলী দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে মাদরাসায় অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। এছাড়া কমিটির সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের চেষ্টা করছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্নভাবে শিক্ষকদের হয়রানি করা হচ্ছে।

মাদরাসার শিক্ষক প্রতিনিধি মাসুদ আলী বলেন, “আমি এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫ বছর ধরে কর্মরত। বর্তমান প্রিন্সিপাল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও দুর্নীতি বেড়েছে। ছয়টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও আমরা কিছুই জানি না। এমনকি গোপনে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত দুই বছরে শিক্ষকদের টিউশন ফি বাবদ প্রায় ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তার। তিনি জানান, মাদরাসাটিতে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১ হাজার। এ বছরের চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৯৭জন শিক্ষার্থী। বর্তমানে মাদরাসাটিতে শিক্ষক-কর্মচারীসহ মোট ৩৯ জন কর্মরত আছেন।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল লিয়াকত আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।