ঢাকাবুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. ইতিহাস
  2. উলিপুর উপজেলা
  3. এসবি পডকাস্ট (বিভাগ ভিত্তিক)
  4. কুড়িগ্রাম
  5. কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা
  6. খুলনা বিভাগ
  7. চট্টগ্রাম বিভাগ
  8. চাকরি
  9. চিলমারী উপজেলা
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. নাগেশ্বরী উপজেলা
  13. নারী
  14. প্রযুক্তি
  15. ফুলবাড়ী উপজেলা
আজকের সর্বশেষ খবর

কুড়িগ্রামে আমন মৌসুমে বিশেষ চমক: ইউরিয়া সার বরাদ্দ বাড়ল আরও ৫০০ টন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ১০:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও প্রান্তিক চাষিদের মুখের হাসি ধরে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি আমন মৌসুমে উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত ৫০০ টন ইউরিয়া সার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) সম্প্রতি এই অতিরিক্ত বরাদ্দের অনুমোদন দেয়।
​কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে কুড়িগ্রাম জেলার জন্য মোট ১২ হাজার ৪৮৩ টন ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে কেবল সেপ্টেম্বর মাসেই বরাদ্দ করা হয় ৪ হাজার ৬৪৪ টন ইউরিয়া, যা বিগত বছরের একই সময়ের (৩,৮৯৪ টন) তুলনায় প্রায় ৭৫০ টন বেশি। নতুন এই অতিরিক্ত ৫০০ টন যুক্ত হওয়ায় সার সরবরাহ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সমস্ত উদ্বেগ কেটে গেছে এবং বাজার ব্যবস্থা সুদৃঢ় হয়েছে।
​এদিকে বরাদ্দকৃত সার নিয়ে অসাধু সিন্ডিকেট যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডিলারদের কার্যক্রম জোরদার নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
​কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণ দেবনাথ জানান, চলতি আমন মৌসুমে সারের নিরবচ্ছিন্ন যোগান নিশ্চিত করতে প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিসিআইসি ও বিএডিসির নিবন্ধিত ডিলারদের মাধ্যমে সরাসরি প্রকৃত কৃষকের হাতে সার পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। সারের বাজারে কোনো ধরনের কারসাজি বা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, জেলাজুড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনিক তদারকি অব্যাহত রয়েছে।
​কৃষিবিদদের মতে, আমন ধানের বর্তমান বৃদ্ধিপর্যায়ে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই; বরং পরিমিত প্রয়োগই ধানের গুণগত মান বাড়ায়। এ বিষয়ে চাষিদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা।
​কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জেলার সারের মজুত পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সন্তোষজনক। কৃষকদের সুষম মাত্রায় ইউরিয়া ও ডিএপি সার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রেখে সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
​প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে মাঠপর্যায়ের কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষ ফিরে এসেছে। সরকারি মূল্যে সার পাওয়ায় চলতি আমন মৌসুমে কুড়িগ্রামে বাম্পার ফলনের আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।