কুড়িগ্রাম সদরের ঘোগাদহ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সোনালীরকুটি গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের মেয়েকে বিয়ে দেন ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চিলকিরপাড় গ্রামের মিজানের পুএের সঙ্গে।
বিবাহ সূত্রে মেয়ে হ্যাপী আক্তারের শশুর মিজান নিয়মিত বিয়ানী আফরোজা বেগমের বাড়ি যাতায়াত করতেন।
এলাকাবাসীর বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় আফরোজা বেগমের স্বামী আব্দুল হাকিম ও পুএ বাইরে কাজের সন্ধানে থাকার সুবাদে প্রায় বিয়াই মিজান আফরোজার বাড়ি যাতায়াত করে গড়ে তোলেন অবৈধ সম্পর্ক।
গত ১২ আগস্ট মঙ্গলবার আফরোজা বেগম
বিয়াইসহ নিজ মেয়ে হ্যাপী আক্তারকে হাসপাতালে নিয়ে যান ডাক্তার কাছে।
পরে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিয়াই মিজান চলে আসেন বিয়ানী আফরোজা বেগমের বাড়িতে। রাতের অন্ধকারে বিয়ানীর নিজ ঘরে বিয়াই ঢুকে অনৈতিক মেলামেশায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
আপওিকর অবস্থায় আত্নহত্যাকারী আফরোজা বেগমের দেবর তাইজুদ্দিন স্ত্রী জহুরা বেগম ও মহুবরের স্ত্রী জোৎসনা দেখতে পেলে বিয়াই দ্রুত পালিয়ে চলে যান।
এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন বিষয়টি জানাজানি হলে ঐ দিন ১৩ আগস্ট
বুধবার দিবাগত রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আফরোজা বেগম আত্নহত্যা করেন।
আত্নহত্যাকারীর ছোট দেবর তাইজুদ্দিনের স্ত্রী জহুরা বেগম বলেন মঙ্গলবার রাতের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরের দিন আফরোজা বেগম বিভিন্ন ভাবে এলাকাবাসীকে গালিগালাজ করে।অবশেষে লজ্জায় বুধবার দিবাগত রাতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্নহত্যা করেন।
এবিষয়ে ঘোগাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক বলেন ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণের বিষয়টি শুনে পুলিশকে খোবর দিয়েছি।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ জানান এবিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
