ঢাকাশনিবার , ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. ইতিহাস
  2. উলিপুর উপজেলা
  3. এসবি পডকাস্ট (বিভাগ ভিত্তিক)
  4. কুড়িগ্রাম
  5. কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা
  6. খুলনা বিভাগ
  7. চট্টগ্রাম বিভাগ
  8. চাকরি
  9. চিলমারী উপজেলা
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. নাগেশ্বরী উপজেলা
  13. নারী
  14. প্রযুক্তি
  15. ফুলবাড়ী উপজেলা
আজকের সর্বশেষ খবর

কু‌ড়িগ্রা‌মে জোড়া খুনের মামলার রায়, একজনের যাবজ্জীবন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ২:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে আলোচিত জোড়া খুনের মামলায় দীর্ঘ ২০ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে আব্দুল মমিন নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং চার আসামিকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আব্দুল মমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে আমিনুল ইসলাম, সিদ্দিক, সফিকুল ইসলাম ও আবু বক্করকে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তিন বছর করে কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
খালাস পাওয়া চার আসামি হলেন মাইদুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, হোসেন আলী ও হাসেন আলী।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর প্রতিপক্ষের হামলায় জালাল উদ্দিন এবং তার ভাতিজা খলিলুর রহমান নিহত হন। এ ঘটনায় নিহত জালাল উদ্দিনের ভাই মো. আব্দুর রউফ বাদী হয়ে রৌমারী থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।
আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট তারিকুর রহমান তারিক।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তারিকুর রহমান তারিক বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর পর এ মামলার রায় হয়েছে। এ রায়ের ব্যাপারে আমি সন্তুষ্ট।

এই ওয়েবসাইটের সকল কোনো লেখা, ছবি, অডিও বা ভিডিও “পেজ দ্যা নিউজ” কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।