কুড়িগ্রাম জেলা শহরে পৌর বাজারে সমবায় নামে একটি মুদির দোকান চালু করেন। পরে ব্যবসায়ির পরিধি বৃদ্ধি করে বিভিন্ন কোম্পানীর ডিরার শীপ নিয়ে ভিশন এন্টারপ্রাইজ নামে নতুন ব্যবসা শুরু করেন জামায়াতের ৬ নেতা। তারা ব্যবসার নামে বিভিন্ন সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহের নামে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে সুদ প্রদান করেন। পরে ব্যবসা আইনী ভিত্তি দেওয়ার জন্য ১/ আবদুস সালাম সুজা ২/ রফিকুল ইসলাম ৩/ শাহ জালাল সবুজ ৪/ রফিকুল ইসলাম সদর রেজিষ্ট্রেশন অফিসের দলিল নং IV-১ তারিখ ০৪/ ১১/ ২০২০ সালে ব্যবসায়ী চুক্তি ও শেয়ার রেজিষ্ট্রেশন করেন। বাকি দুইজন ১/ জাহিদ মুন্সি ২/ রুহুল আমিন কে গোপান রাখে। তারা জানে না শেযার ব্যবসায় শেযার সরকারি ভাবে বাকি ৪ জন দলিল করে নিযেছে। কিন্তু পরে সুদের ব্যবসা লোকসান হওয়া শুরু হলে ২০২৪ সালে অক্টোবর মাসে স্থায়ী ভাবে ব্যবসা বন্ধ করে দেন। কিন্তু জনগনের নেওয়া কোটি কোটি টাকা ফেরত না দিয়ে তারা আত্মগোপনে চলে যান । লক্ষ লক্ষ টাকা পাওনাদার উপায় না পেয়ে জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে বিচার দিলে। জেলা জামায়াত তদন্তের মাধ্যমে সহকারী সেক্রটারি শাহ জালাল সবুজ ও প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে সংগঠনের সব পদ স্থগিত করেন। এবং জামায়াত থেকে অব্যহতি প্রদান করেন। ভিশন এন্টারপ্রাইজে কয়েক জন টাকা দেওয়া ব্যাক্তির সাথে কথা হলে তারা জানান। আমরা জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে বিচার দিয়েছি। আমরা সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় আছি। বিচার তারা ব্যর্থ হলে আমরা নিজে আমাদের টাকা তুলে নিবো। তবে জামায়াতের বিতর্কিত নেতাদের সব পদ স্থগিত হওযায় সাধারন নেতা কর্মিদের মাঝে আনন্দের ঝড় বইছে। এ ব্যাপারে জেলা জজ আদালতের আইনজীবী রেজাউল করিম নয়ন জানান জেলা জামায়াত সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সংগঠন করে অন্যায় করে পার পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। এ ব্যপারে কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল হামিদ বলেন, জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করে অন্যায় করে পার পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। সে যতবড় শক্তিশালী নেতা হউক। ভিশন এন্টারপ্রাইজ এর বিরুদ্ধে সাধারণ জনগন যারা টাকা রেখেছে তাদের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে যার কারনে শাহজালাল সবুজের বিরুদ্ধে জেলা জামায়াত সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
০১৭১৭৭৪৩৪০৯

