আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম- ৪ আসনে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আপন দুই ভাই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এতে ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজিজুর রহমান এবং তার ছোটভাই জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক সহকারী রিটার্নিং অফিসার আলাউদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এসময় তাদের দলের নেতাকর্মী ও সমর্থক সঙ্গে ছিলেন।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তরে তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই জামায়াতের প্রার্থী। তবে নির্বাচনে সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্য কম তাই ছোটভাইকে হারিয়ে আমি ভোটারদের মন জয় করে ধানের শীষ নিয়ে জয়লাভ করব ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক সাংবাদিকদের বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়ি পাল্লাই সরকারে যাবে। আমরা ইসলামী আদর্শে আদর্শিক। তাই ভোটারগণ যোগ্য ব্যক্তি বেঁচে নিয়ে ভোট প্রয়োগ করবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার বড় ভাই পরিবারে এবং রাজনৈতিক মাঠে সে আমার প্রতিপক্ষ। আমার বড় ভাই সে বিএনপির দল করেন। আর আমি জামায়াতে ইসলামীর দল করি।
রৌমারী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রৌমারী উপজেলায় ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছিল। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৫টি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, চররাজিবপুর ও চিলমারী) আসনে সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের নিকট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
এদিকে স্থানিয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া, অনেকেই বলেছেন বিএনপির নিবেদিত নেত্রী মমতাজ হোসেন লিপি, দলের জন্য তার অনেক অবদান রয়েছে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের ত্যাগী নেত্রী, তাছাড়াও তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন, তিনি এই আসনে নির্বাচন করলে জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকতো। তিনি দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে মনোনয়ন কিনলেও জমা দেননি।

