প্রকল্পের আওতায় আরাজী পলাশবাড়ী মৌজার দাশেরহাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে। এতে শ্রমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৪০ টাকা। প্রকল্পে ১১৯ জন শ্রমিক ৪০ দিন কাজ করবেন। পাশাপাশি ২৫ লাখ ৯১ হাজার ৯৫৫ টাকা ব্যয়ে তিনটি কালভার্ট নির্মাণ, ভেকুর মাধ্যমে মাটি কাটা, বৃক্ষরোপণ, লেভেলিং ও ড্রেসিংয়ের কাজ করা হবে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শুরু ও শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
উদ্বোধনী আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রেজা, জেলা উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে। কৃষকের জমিতে পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়বে। একই সঙ্গে স্থানীয় দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সরকার জনস্বার্থে টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।”
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, “এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল খালটি পুনঃখননের। বর্ষা এলেই কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যেত, মানুষের দুর্ভোগ বাড়ত। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এলাকার কৃষি, যোগাযোগ ও পরিবেশব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আমরা চাই কাজ যেন স্বচ্ছতা ও গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন হয়।”
হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রেজা জানান,খাল পুনঃখননের ফলে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা কমবে, মাছ ও কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং এলাকার পরিবেশেরও উন্নতি হবে। একই সঙ্গে নতুন কালভার্ট নির্মাণের কারণে স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থাও সহজ হবে বলে আশা করছেন তিনি।