কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সকালে হাঁটতে বেড়িয়ে শেয়ালের কামড়ে রোকেয়া খাতুন (৫৫) এবং গৃহপালিত হাঁসকে খাবার দিতে গিয়ে চন্দনা রানী (৩৯) নামের দুই নারী আহত হয়েছেন।শেয়ালের কামড়ে তাদের মুখ মন্ডল, দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়েছে।
পরে পরিবারের লোকজন রোকেয়া খাতুনকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে ফুলবাড়ী পরে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল এবং চন্দনা রানীকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত রোকেয়া খাতুন উপজেলার চন্দ্রখানা পাঠানটারী গ্রামের মৃত আব্দুল গনির মেয়ে এবং চন্দনা রানী একই এলাকার সন্তোষ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী।
এলাকাবাসী ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে বাড়ির পাশের সড়কে হাঁটতে গেলে ঝোপের মধ্য থেকে হঠাৎ একটি শেয়াল রোকেয়া খাতুনের ওপর আক্রমণ করে। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে শেয়ালটিকে ধাওয়া করে পিটিয়ে মেরে ফেলে। অন্যদিকে চন্দনা রানী (৩৯)গৃহপালিত হাঁসকে খাবার দিতে গেলে অপর একটি শেয়াল তার উপর আক্রমণ করে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন প্রদান শেষে বর্তমানে তিনি বাড়িতেই চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে রয়েছেন। ফুলবাড়ী হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আনিছুর রহমান জানান, শেয়ালের আক্রমণে আহত দুই নারীর মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। অপর নারীর আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

